‘বচনে বাঁচুন’: খনার বচনের ছন্দে বেক্সিমকো ফার্মার ভিন্নধর্মী বৈশাখ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

আবহমান বাংলার লোকজ সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও ঐতিহ্যবাহী কৃষিকে মূল প্রতিপাদ্য করে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি। ‘বচনে বাঁচুন’ শিরোনামে প্রাচীন বিদুষী নারী খনার বচনকে কেন্দ্র করে এবার তাদের বৈশাখী আয়োজন সাজানো হয়।

ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের মেলবন্ধন

ইতিহাসবিদদের মতে, অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী খনা কৃষিকাজ, আবহাওয়া এবং স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন নিয়ে যেসব বচন রচনা করেছিলেন, তা আজও গ্রামীণ ও আধুনিক জীবনে সমান প্রাসঙ্গিক। বেক্সিমকো ফার্মা তাদের অফিসসজ্জা ও ক্যালেন্ডারে খনার বিখ্যাত কিছু বচন তুলে ধরেছে, যেমন:

  • “আলো হাওয়া বেঁধো না/ রোগে ভোগে মরো না”
  • “সকাল শোয় সকাল ওঠে/ তার কড়ি না বৈদ্য লুটে”
  • “চাষী আর চষা মাটি/ এ দু’য়ে হয় দেশ খাঁটি”

সুস্থ জীবনের অঙ্গীকার

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) রাব্বুর রেজা বলেন, “খনার বচন বাঙালি ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রা নিয়ে এসব বচনের তাৎপর্য আজও অপরিসীম। মানুষের সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দায়িত্বশীল ওষুধ উৎপাদনই বেক্সিমকো ফার্মার লক্ষ্য।”

তিনি আরও যোগ করেন যে, প্রতিরোধ থেকে শুরু করে চিকিৎসা—স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি ধাপে টেকসই সমাধান নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি, যাতে দেশের মানুষের জন্য একটি সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা যায়।

একনজরে বেক্সিমকো ফার্মা

১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বেক্সিমকো ফার্মা বর্তমানে বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত এই প্রতিষ্ঠানটি রপ্তানি বাণিজ্যে অনন্য অবদানের জন্য সর্বোচ্চ ৯ বার জাতীয় রপ্তানি ট্রফি (স্বর্ণ) অর্জন করেছে।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *