পল্লবীতে শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ, আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক সোহেল
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে অভিযুক্ত সোহেল রানা। বুধবার (২০ মে ২০২৬) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ঘটনার সময় শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে এলে অভিযুক্ত সোহেল রানা রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে ফেলে। পরবর্তীতে টয়লেটের ভেতরে থাকা একটি বালতি থেকে শিশুটির বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়। বুধবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর শিশুটির মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এবং অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার পরপরই স্বপ্না আক্তারকে আটক করে এবং মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে। পলাতক অজ্ঞাত আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
