মহান বিজয় দিবসে সাভার স্মৃতিসৌধে শ্রমিকদের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। এই দিবস উপলক্ষ্যে সাভারস্থ জাতীয় স্মৃতিসৌধে ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স ইউনিটি সেন্টার ও গ্রীণ বাংলা গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ০৯:৩০ ঘটিকায়, ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স ইউনিটি সেন্টার ও গ্রীণ বাংলা গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সুলতানা বেগম এর নেতৃত্বে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস, সহ-সভাপতি সেলিনা হোসাইন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোজিনা আক্তার সুমি, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফরিদ উদ্দীন, মিরপুর আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক তাহেরুল ইসলাম, আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি ইউসুফ শেখ, গাজীপুর জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক রাকিব খান, গাজীপুর জেলা কমিটির নারী বিষয়ক সম্পাদক মৌসুমী সরকার সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

শ্রমিক সংগঠনের দাবি
বক্তাগণ বলেন, আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। এই ঐতিহাসিক দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সকল বীর শহীদকে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন। অথচ স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশের শ্রমিক সমাজ আজ ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, কর্মস্থলে মর্যাদা ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত।
শ্রমিক নেতৃবৃন্দ বিশ্বাস করেন, বিজয়ের প্রকৃত অর্থ তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন শ্রমিক পাবে জীবিকা নির্বাহের উপযোগী ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হবে, কর্মস্থলে সম্মান ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ট্রেড ইউনিয়নের স্বাধীন অধিকার বাস্তবায়িত হবে।
এই মহান বিজয় দিবসে তাঁরা সরকারের নিকট নিম্নোক্ত দাবিগুলো পেশ করেন:
- শ্রম আইন ও আইএলও কনভেনশনসমূহের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
- সকল সেক্টরে জাতীয় মজুরি ঘোষণা করতে হবে।
- কর্মস্থলে দুর্ঘটনা ও হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
- শ্রমিক সংগঠনের স্বাধীনতা ও সামাজিক সংলাপ জোরদার করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ শপথ গ্রহণ করে বলেন, শ্রমিকের অধিকার, মর্যাদা ও মানবিক জীবন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
