নোয়াখালী’র সোনাইমুড়ীতে পথ অবরুদ্ধ করে বসতঘরে হামলা, আহত ১০
মোহাম্মদ উল্যা, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে বসতঘরে হামলা চালিয়ে পরিবারের একমাত্র চলাচলের পথ টিনের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে দিয়েছে প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় একই পরিবারের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
আজ শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার নদনা ইউনিয়নের জগজীবনপুর গ্রামের বাদশা মিয়া ব্যাপারী বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলা ও ক্ষয়ক্ষতি
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জগজীবনপুর গ্রামের আবদুল গোফরানের ছেলে কামাল হোসেনের বসতঘরে অতর্কিত হামলা চালায় একই বাড়ির আব্দুল মান্নানের ছেলে বেলাল হোসেনের নেতৃত্বে একদল বহিরাগত সন্ত্রাসী। এ সময় কামাল হোসেনের ঘরের জানালার গ্লাস, দরজা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
হামলায় গুরুতর আহত হন— কামাল হোসেন (৬২), স্ত্রী নাজমা আক্তার (৪২), পুত্রবধূ জান্নাত (২২), ভাতিজি লাকি আক্তার (২৩), লিপি আক্তার (২১), ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৩৭), নাতনি লামহা (২) এছাড়াও আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা যায়।
হামলাকারীরা কামাল হোসেনের বাড়ির একমাত্র চলাচলের পথটিকে টিনের বেড়া দিয়ে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়। খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরুদ্ধদের উদ্ধার করে এবং আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
পূর্ব বিরোধ ও পুলিশের বক্তব্য
ভুক্তভোগীরা জানান, বিগত সপ্তাহেও বেলাল হোসেন গংরা ওই পথটি বন্ধ করে দেয়। এর জেরে গত বুধবার কামাল হোসেন বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ দায়ের করায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষ আবারো হামলা চালায়। তারা দীর্ঘদিন ধরে কামাল হোসেনের উঠান দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পথ খুলে দিলেও বেলাল গংরা পুনরায় বেড়া দিয়ে পথ অবরুদ্ধ করে রাখে। ফলে পরিবারটি মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
সোনাইমুড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ মোরশেদ আলম বলেন:
“অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
