নানা উপায়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে: উমামা ফাতেমা

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা।
প্রতিবেদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০০: ০৭
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের ভিপি (সহসভাপতি) প্রার্থী উমামা ফাতেমা অভিযোগ করেছেন যে একটি নির্দিষ্ট শক্তি নানা উপায়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, যারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার পেছনে ইন্ধন দিচ্ছে, তারাই নানাভাবে ডাকসু নির্বাচন বন্ধ করার চেষ্টা করছে।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উমামা ফাতেমা এসব কথা বলেন।
এই ভিপি প্রার্থী বলেন, ডাকসু নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয় ১১ আগস্ট এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ছিল ২৫ আগস্ট। ওই গোষ্ঠী চাইলে এই সময়ের মধ্যে রিট করতে পারত, কিন্তু নির্বাচন প্রায় ঘনিয়ে আসার পর তারা হাইকোর্টে রিট করেছে। এটিকে তিনি একটি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, পুরো নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যই শেষ মুহূর্তে এসে এই রিট করা হয়েছে।
উমামা ফাতেমা আরও বলেন, যখন ডাকসু, চাকসু, রাকসুসহ বিভিন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আলোচনা শুরু হয়েছিল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গণতান্ত্রিক রূপান্তরের দিকে এগোচ্ছিল, তখন ক্যাম্পাসগুলো অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, “গতকাল (রোববার) দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার জের ধরে আজ যখন ডাকসু নির্বাচন স্থগিতের ঘোষণা করা হয়েছিল, আমি মনে করি, এটা একই ধরনের ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা।”
রিট ও হাইকোর্টের আদেশ
উল্লেখ্য, ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের জিএস (সাধারণ সম্পাদক) প্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে রোববার হাইকোর্টে রিট করেন বাম ছাত্রসংগঠন সমর্থিত ‘অপরাজেয় ৭১, অদম্য ২৪’ প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক প্রার্থী বি এম ফাহমিদা আলম।
এই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট আজ ডাকসু নির্বাচন প্রক্রিয়া ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকার কার্যক্রম ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেন। তবে পরে হাইকোর্টের ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে নতুন আদেশ দেন।
