নদীতীর ভাঙন ও সড়কের ক্ষতি রোধে মুছাপুর ইউনিয়নে এসিল্যান্ডের অভিযান

নদীতির ভাঙন ও সড়কের ক্ষতিরোধে এসিল্যান্ডের অভিযান।ছবি

মোহাম্মদ উল্যা, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নে অননুমোদিতভাবে বালু ব্যবসার মাধ্যমে নদীতীর ভাঙন ও সড়কের ক্ষতি করার অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাশেম

আজ মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) পরিচালিত এই অভিযানে অবৈধ বালু ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে শাহ আলম (৩২) এবং দিদার (২৭) নামের দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

আটক ও সাজা

আটককৃত শাহ আলম ও দিদারকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০১৫ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে উপজেলা প্রশাসনকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যবৃন্দ সহযোগিতা করেন। প্রশাসন জানিয়েছে, অননুমোদিত ও সড়কের জন্য ক্ষতিকর বালু ব্যবসার বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানের প্রেক্ষাপট ও সীমাবদ্ধতা

স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে এই অভিযানের প্রেক্ষাপট ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে কিছু পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে:

  • নদীর ভাঙন: অননুমোদিতভাবে বালু তোলার কারণে নদীর তলদেশ ভেঙে যাচ্ছে, নাব্য কমে যাচ্ছে এবং নদীতীর ভাঙতে শুরু করেছে।
  • সড়কের ক্ষতি: বালু পরিবহনকারী ট্রাক এবং অবৈধ বালুর স্তূপ সড়ক ও সড়কের পাশের সরকারি জায়গা দখল করে রাখে, যা রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষতি করে।
  • সীমাবদ্ধতা: প্রশাসন মাঝেমধ্যে অভিযান পরিচালনা করলেও, প্রভাবশালীদের প্রভাব এবং প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের কারণে অনেক ক্ষেত্রে বালু উত্তোলন ও ব্যবসা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয় না। এটি সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে বড় বাধা।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *