নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে উপজেলা প্রশাসনকে হারালো বসুরহাট পৌরসভা

​মোহাম্মদ উল্যা, নোয়াখালী প্রতিনিধি

ঐতিহাসিক ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে গত শনিবার (০৭ নভেম্বর ২০২৬) নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে বসুরহাট পৌরসভা দল। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে তারা উপজেলা প্রশাসন দলকে ৬-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছে।

​ম্যাচের বিবরণ ও পৌর দলের আধিপত্য

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক কৌশলে খেলতে থাকে বসুরহাট পৌরসভা দল। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে চাপে ফেলে তারা ম্যাচের পুরোটা সময় নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখে। নিজেদের মধ্যে চমৎকার বোঝাপড়া, গতি, কৌশল ও নিখুঁত পাসিংয়ের সুবাদে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে পৌরসভা দল।

​অন্যদিকে, উপজেলা প্রশাসন দল পিছিয়ে পড়ে কয়েকটি পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা চালালেও পৌরসভা দলের শক্তিশালী রক্ষণভাগ ভেদ করতে ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত ৬-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বসুরহাট পৌরসভা।

​দর্শক উপস্থিতি ও পুরস্কার বিতরণ

​ঐতিহাসিক ওই দিনটিকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝে উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায়। দুই দলের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতিতে পুরো খেলার মাঠ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। খেলোয়াড়দের চমৎকার নৈপুণ্য ও রোমাঞ্চকর ফুটবল উপভোগ করেন উপস্থিত দর্শকেরা।

​খেলা শেষে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান।

​আয়োজনের উদ্দেশ্য ও প্রতিক্রিয়া

​আয়োজকরা জানান, গত ০৭ নভেম্বর জাতীয় সংহতি দিবসের মতো তাৎপর্যপূর্ণ দিনে এমন প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করা। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলা ও ক্রীড়াচর্চায় তরুণ সমাজকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রেও এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

​সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন কর্মব্যস্ততার বাইরে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং এলাকায় একটি চমৎকার সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।