ডাকসু নির্বাচনভোটদানে উৎসাহিত করতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে সভা করবে নির্বাচন কমিশন

ডাকসু নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বক্তব্য দিচ্ছেনছবি: তানভীর আহাম্মেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা

প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২০: ১০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোটারদের ভোটদানের উৎসাহিত করতে সভা করার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া দ্রুত করতে সেখানে ভোটারদের ভোটদানের প্রক্রিয়াও জানানো হবে।

আজ শুক্রবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন এ তথ্য জানান। এ সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী ও অধ্যাপক এস এম শামীম রেজা উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক জসীম উদ্দিন বলেন, ‘ভোটাররা কীভাবে ভোট প্রদান করবেন এ বিষয়ে আমরা হল, অনুষদভিত্তিক চারটি সভা করব। এখানে আমাদের কমিশনের পক্ষ থেকে ভোটারদের ভোটদানের প্রক্রিয়া জানানো হবে। এ ছাড়া নির্বাচনে ভোটদানের প্রক্রিয়া নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যে একটি ভিডিও ছাড়া হয়েছে। সেখানে ভোটদানের প্রক্রিয়া বিস্তারিত বলা হয়েছে।’

প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা চাই না কোনো ছাত্রছাত্রী অযথা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকবে অথবা বুথে সময় নষ্ট করবে। এতে ভোটিং প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। আমরা ছাত্রছাত্রীদের প্রতি অনুরোধ রাখব—যার যতটুকু সময় লাগে, ততটুকু সময়ের মধ্যে ভোটদানের প্রক্রিয়া শেষ করে অন্যকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। এই অনুরোধটুকু আমাদের প্রিয় ছাত্রছাত্রীদের প্রতি থাকবে।’

প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে অধ্যাপক জসীম উদ্দিন বলেন, ‘অনানুষ্ঠানিকভাবে যে কেউ সরে দাঁড়াতেই পারে। প্রার্থীদের স্বাধীনতা আছে, কেউ যদি সরে যায় সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার। আমাদের ব্যালট পেপার ছাপা হয়ে গেছে। এখন আর নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ নেই।’

নির্বাচনী আচরণবিধি–সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের প্রধান ও রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, ‘অনলাইনে বুলিং নিয়ে অভিযোগ এসেছে। আমরা ইতিমধ্যে একটি পেজের অ্যাডমিনকে ডেকেছি এবং তাঁকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, ‘আমাদের পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, “শিক্ষার্থীর সংসদ দুই” নামের পেজটি ইতিমধ্যেই বন্ধ রয়েছে। তবে যদি দেখা যায় যে সেটি এখনো সক্রিয় আছে, তাহলে আমরা টাস্কফোর্স কমিটির সামনে সংশ্লিষ্ট অ্যাডমিনকে ডেকে পাঠাব। এরপরও যদি তারা নির্দেশ না মানে, তাহলে আমরা বাধ্য হয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *