এসডিজি বাস্তবায়নে ফলপ্রসূ কাজের নির্দেশ বিভাগীয় কমিশনারের
স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিভাগীয় পর্যায়ের দপ্তরগুলোকে গতানুগতিক কাজের বাইরে এসে পরিসংখ্যানগত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে দৃশ্যমান বা ‘ভিজ্যুয়ালাইজ’ কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ্ শাম্মী, এনডিসি। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত বিভাগীয় কমিটির ১৯তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিসংখ্যান ও পাই চার্টের মাধ্যমে অগ্রগতির নির্দেশনা
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, “আপনার দপ্তরের এসডিজি টার্গেট কী এবং সেই অনুযায়ী অর্জন কতটুকু, তা পাই চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করুন। কোনো বেইজ লাইন (ভিত্তি) উপাত্ত ছাড়া শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করলেই ২০৩০ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না। মাঠ পর্যায়ে কাজের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নাম্বারের বিপরীতে সেবা নিশ্চিত করতে হবে।”
প্রশিক্ষণ ও ফলোআপের ওপর গুরুত্ব
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে অনেক সরকারি দপ্তর এসডিজি নিয়ে কাজ করলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন সব সময় দৃশ্যমান হয় না। প্রশিক্ষণ প্রদানের পর তার ‘ফলোআপ’ রিপোর্ট উপস্থাপন করতে হবে, যাতে বোঝা যায় প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীর জীবনমানের প্রকৃত উন্নতি হয়েছে কি না।
কাউকে পেছনে ফেলে নয়
সভায় জানানো হয়, এসডিজির ১৭টি অভীষ্ট ও ২৬৯টি টার্গেটের মূল লক্ষ্যই হলো কাউকে পেছনে ফেলে নয়, বরং সবাইকে সমতার কাতারে নিয়ে আসা। পিছিয়ে পড়া দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সম্পদে পরিণত করতে পারলেই বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের মানুষ উপকৃত হবে।
উপস্থিতিবৃন্দ
বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় ময়মনসিংহ বিভাগের সকল দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। শুরুতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরপ্রধানরা নিজ নিজ কার্যালয়ের কার্যক্রম ও এসডিজি অর্জনের অগ্রগতি তুলে ধরেন।
পরিশেষে বিভাগীয় কমিশনার ২০৩০ সালের মধ্যে একটি দারিদ্র্য ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রতিটি বিভাগকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করার আহ্বান জানান।
