অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করলেন সাবেক মেম্বার আব্দুল মান্নান
রাশেদ আহমেদ নিসর্গ, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহ সদরের শম্ভুগঞ্জ জি.কে.পি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সরকারি ও কলেজের তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাতের যে অভিযোগ উঠেছে, তা দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন কথিত অভিযোগকারী ও গভর্নিং বডির সাবেক অভিভাবক সদস্য আব্দুল মান্নান। তাঁর দাবি, তাঁকে না জানিয়েই তাঁর নাম ব্যবহার করে এই অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
সম্প্রতি ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে। যেখানে দাবি করা হয়, কলেজের অধ্যক্ষ কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। তবে অভিযোগের বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
সরেজমিনে আব্দুল মান্নানের বক্তব্য
সরেজমিনে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ৩৩নং ওয়ার্ডের সাবেক জনপ্রিয় মেম্বার আব্দুল মান্নানের বাড়িতে সংবাদকর্মীরা যোগাযোগ করলে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ১০/১২/২০২৫ তারিখে তাঁর নাম ব্যবহার করে কে বা কারা এই অভিযোগ করেছে তা তিনি জানেন না।
আব্দুল মান্নান বলেন, “শম্ভুগঞ্জ জি.কে.পি ডিগ্রি কলেজটি আমাদের চরাঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষের সন্তানদের শিক্ষার বাতিঘর। এই কলেজ না থাকলে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ত। আমি এই কলেজের একজন শুভাকাঙ্ক্ষী। অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আমি কোনো অভিযোগ করিনি।”
অস্বীকৃতিপত্র দাখিল
বিষয়টি নিয়ে আব্দুল মান্নান গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি লিখিত ‘অস্বীকৃতিপত্র’ কলেজ কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দাখিল করেছেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, তাঁর নাম ব্যবহার করে কলেজের সুনাম নষ্ট এবং অধ্যক্ষকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি অবিলম্বে এই তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করে অভিযোগটি অবৈধ হিসেবে গণ্য করার বিনীত অনুরোধ জানান।
এলাকাবাসীর মতে, একটি পক্ষ ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করতে জনপ্রিয় এই নেতার নাম ব্যবহার করে কলেজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে।
