সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী ও সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলমের হাইকোর্টে জামিন

হাইকোর্ট ভবন। ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলমকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

জামিন চেয়ে এই দুজনের করা পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিন ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রুলসহ এ আদেশ দেন।

জামিনে কারামুক্তিতে বাধা নেই

  • মঞ্জুরুল আলম: মঞ্জুরুল আলমের আইনজীবী রমজান আলী শিকদার প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্ট তাঁকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেওয়ায় তাঁর কারামুক্তিতে আপাতত কোনো বাধা নেই
  • লতিফ সিদ্দিকী: লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী এম আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া বলেন, হাইকোর্ট রুল দিয়ে তাঁর মক্কেলকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ কোনো উদ্যোগ না নিলে তাঁর কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই।

আদালতে লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্নাফজলুর রহমান এবং মঞ্জুরুল আলমের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেনরমজান আলী শিকদার শুনানিতে ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী

মামলার প্রেক্ষাপট

গত ২৮ আগস্ট দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলমসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। রাজধানীর শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার দিন সকালে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, শেখ হাফিজুর রহমানসহ অন্যরা ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিতে গিয়েছিলেন। সভা চলাকালীন মিছিল নিয়ে একদল ব্যক্তি মিলনায়তনে ঢুকে স্লোগান দেন এবং আলোচনায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশের কাছে তাঁদের তুলে দেওয়া হয়।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *