নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা পূরণে সরকার কাজ করছে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

“টেকসই ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড (বিএসএসএফ) আয়োজিত ৮ম জাতীয় বৈজ্ঞানিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৯ মে ২০২৬) রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এই সম্মেলনে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও নীতিনির্ধারকেরা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
উদ্বোধনী অধিবেশন ও প্রধান অতিথির বক্তব্য
বিএসএসএফ-এর সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ খালেদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ডা: মোহাম্মদ সরোয়ার জাহানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “দেশের ১৮ কোটি মানুষের নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা পূরণে বর্তমান বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে গবেষণাকে আরও জোরদার করতে হবে এবং প্রযুক্তিকে কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে”।
অতিথিবৃন্দ ও মূল প্রবন্ধ
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
- মোঃ শাহজামান খান: মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
- মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার: চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব), বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।
- মসিউর রহমান: সভাপতি, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)।
উদ্বোধনী অধিবেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সাবেক সদস্য পরিচালক (মৎস্য) ড. মোঃ মনিরুল ইসলাম। সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএআরসি-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মোঃ আব্দুস সালাম।
সেফ ফুড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬
এ বছর বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড কর্তৃক ঘোষিত ‘সেফ ফুড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হয় নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার তরুণ উদ্যোক্তা মোঃ সোহেল রানাকে।
গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক সেশন
সম্মেলনে মোট ৩টি বৈজ্ঞানিক সেশনে ১৫টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপিত হয়। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল: ১. স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি। ২. নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ। ৩. খাদ্য নিরাপত্তা ও মাইক্রোবায়োলজি।
এছাড়াও মাশরুমের পুষ্টিগুণ ও অন্যান্য বিষয়ে ৪টি বিশেষ প্রবন্ধ এবং প্রায় ৭০টি গবেষণা পোস্টার প্রদর্শিত হয়।
আয়োজক ও স্পনসর
সম্মেলনের সহ-আয়োজক ছিল ওয়ার্ল্ড ফিশ, হেইফার ইন্টারন্যাশনাল-বাংলাদেশ, সিএবিআই এবং জিএআইএন। প্লাটিনাম স্পনসর হিসেবে ছিল ইন্টার এগ্রো বাংলাদেশ, গোল্ড স্পনসর নারিশ গ্রুপ এবং সিলভার স্পনসর হিসেবে ছিল প্যারাগন ডেইরি।
