সিইপিজেডের জ্বলন্ত ভবনের অগ্নিনিরাপত্তা সনদ ছিল না

চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায় আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবন। আজ সকালে তোলাছবি: জুয়েল শীল।
নিজস্ব প্রতিবেদন ঢাকা।
চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (সিইপিজেড) এলাকায় আগুন লাগা সাততলা ভবনটির অগ্নিনিরাপত্তা সনদ ছিল না বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী আজ শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “ফায়ার সেফটি প্ল্যানের (অগ্নিনিরাপত্তা পরিকল্পনা) আবেদন করা হয়েছে কেবল। তবে নিয়ম অনুযায়ী এখনো পরিদর্শন হয়নি। তাঁর আগেই দুর্ঘটনা ঘটে গেছে।”
আগুন নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘ সময়
- সময়কাল: গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে শুরু হওয়া আগুন প্রায় সাড়ে ১৭ ঘণ্টা পর আজ শুক্রবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে আসে।
- ক্ষতিগ্রস্ত কারখানা: ভবনের সাততলায় অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ও জিহং মেডিকেল প্রোডাক্টস (বিডি) কোম্পানি লিমিটেড নামে দুটি কারখানার গুদাম ছিল।
- সহায়তা: আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের প্রায় ২৫টি ইউনিট এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৪টি ইউনিট কাজ করেছে।
আগুন নেভাতে বাধা
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে। ভবনের দুই পাশে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় আগুন নেভানোর সুযোগ ছিল না। নিয়ম অনুযায়ী ভবনের আশপাশে যে ন্যূনতম জায়গা রাখতে হয়, সেটি দুই দিকে ছিল না।
কারখানার ভেতরে দাহ্য পদার্থ (কাপড় ধোয়ার রাসায়নিক, সিনথেটিক ফেব্রিক, তৈরি সার্জিক্যাল গাউন ও কাঁচামাল) থাকায় আগুনের তীব্রতা অনেক বেশি ছিল। আগুনের তাপে ভবনের কিছু দেয়াল ও ছাদ ধসে পড়ে এবং লোহা গলে যায়। একপর্যায়ে আগুন পাশের একটি তিনতলা ভবনের ছাদেও ছড়িয়ে পড়েছিল।
