৫৯ বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড ভেঙে দিলেন মেসি

খেলা ডেস্ক

লিওনেল মেসি।ছবি:সংগৃহীত

৩৮ বছর বয়সেও লিওনেল মেসি যেন ঝলক দেখাচ্ছেন আগের মতোই। খেলছেন, খেলাচ্ছেন, দলকেও জেতাচ্ছেন। এবার তিনি জিতেছেন ক্যারিয়ারের ৪৭তম শিরোপা। নিউ ইয়র্ক সিটিকে ৫-১ গোলে হারিয়ে তার দল ইন্টার মিয়ামি প্রথমবারের মতো জিতে নিয়েছে মেজর লিগ সকারের ইস্টার্ন কনফারেন্সের শিরোপা।

এই ম্যাচে খুব বড় প্রভাব অবশ্য মেসিকে ফেলতে হয়নি। তিনি স্রেফ গোল করিয়েছেন একটি। আর তাতেই বিশ্বরেকর্ড গড়ে ফেলেছেন তিনি। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে মিয়ামি যখন শঙ্কায় ছিল ২ গোলের লিড হারিয়ে বসার, তখন তিনি দারুণ এক প্রতি আক্রমণ থেকে বল বাড়ান সতীর্থ মাতেও সিলভেতিকে। রোজারিওর তরুণ এই উইঙ্গার গোল করতে ভুল করেননি। বল জড়ান জালে।

রেকর্ড ভেঙে চূড়ায় মেসি

আর তাতেই ৫৯ বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড ভেঙে দেন তিনি। ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের মালিক এখন মেসি। ইস্টার্ন কনফারেন্সের ফাইনালে এই অ্যাসিস্ট তার ক্যারিয়ারের ৪০৫তম। এই অ্যাসিস্টই তাকে তুলে দেয় তালিকার শীর্ষে।

১৯৬৬ সালে ফেরেনশ পুসকাস যখন অবসরে যাচ্ছিলেন, তখন তার ক্যারিয়ার অ্যাসিস্টসংখ্যা ছিল ৪০৪। যদিও তা ছিল অনানুষ্ঠানিক, কারণ তখন এসবের হিসেব আনুষ্ঠানিকভাবে রাখত না কোনো প্রতিষ্ঠানই।

আগের ম্যাচে সিনসিনাতির বিপক্ষে অ্যাসিস্টের হ্যাটট্রিক করে তার পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মেসি। আজকের এই অ্যাসিস্ট তাকে তুলে দিয়েছে সবার ওপরে।

আগের ম্যাচে সিনসিনাতির বিপক্ষে অ্যাসিস্টের হ্যাটট্রিক করে তার পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মেসি। আজকের এই অ্যাসিস্ট তাকে তুলে দিয়েছে সবার ওপরে।

এখনও খেলে যাচ্ছেন, এমন ফুটবলারদের ভেতর সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট আছে থমাস মুলারের, ৩৫২টি। তার ইন্টার মিয়ামি সতীর্থ লুইস সুয়ারেজের নামের পাশে অ্যাসিস্ট ৩১৭টি। কেভিন ডি ব্রুইনা আছেন ঠিক তার পেছনে, তার অ্যাসিস্ট ৩১৬টি। খুব বেশি দূরে নেই আনহেল ডি মারিয়াও, ৩১৩ অ্যাসিস্ট তার। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আছেন মেসি থেকে ১০১ অ্যাসিস্ট দূরে। ক্যারিয়ারের পড়ন্ত সময়ে এখানেও মেসিকে টক্কর দেবেন রোনালদো, এমন সম্ভাবনা নেই খুব বেশি।

অ্যাসিস্টের পাশাপাশি মেসির গোলসংখ্যাও ৮৯৬টি। তিনি মোট গোলে অবদান রাখার দিক দিয়েও আছেন সবার ওপরে।

Leave a Comment