সুপার ফোরে বাংলাদেশ: রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে শ্রীলঙ্কার জয়ে নিশ্চিত হলো ভাগ্য
মাহমুদুল হাসান
আবুধাবি থেকে

আফগানদের বিদায় করে বাংলাদেশকে সুপার ফোরে তুলছে শ্রীলঙ্কাএসিসি
আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১: ১৮
বাংলাদেশ না শ্রীলঙ্কা, কারা বেশি চাপে ছিল, কোন দলের সমর্থকদের রক্তচাপ বেশি ছিল? এই উত্তর হয়তো জানা যাবে না। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত যে আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার জয়ে শ্রীলঙ্কার মানুষ যতটা খুশি, ততটাই খুশি বাংলাদেশের মানুষও। পেন্ডুলামের মতো দুলতে থাকা ম্যাচের ভাগ্য শেষ পর্যন্ত হেলেছে শ্রীলঙ্কার দিকেই। আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশকে নিয়েই এশিয়া কাপের সুপার ফোরে পৌঁছে গেছে শ্রীলঙ্কা।
রুদ্ধশ্বাস মুহূর্ত ও মোহাম্মদ নবীর ব্যাটিং
ম্যাচের শেষদিকে যা ঘটছিল, তাতে বাংলাদেশের সুপার ফোরে খেলার সম্ভাবনা প্রায় কমে গিয়েছিল। শেষ ওভারে মোহাম্মদ নবীর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে সবার মনে শঙ্কা জেগেছিল। অথচ, ম্যাচের শুরুর দিকে মনে হচ্ছিল শ্রীলঙ্কার জন্য কাজটা সহজ হবে। প্রথম দুই ওভারে ভালো শুরু পেলেও আফগানিস্তান প্রায় পুরোটা সময়জুড়ে চাপেই ছিল ব্যাটিংয়ের সময়। কিন্তু দুই ওভারেই সব এলোমেলো হয়ে যায়, যার পেছনে ছিলেন মোহাম্মদ নবী। ১৮তম ওভার যখন শেষ হয়, তখন আফগানিস্তানের রান ৭ উইকেটে ১২০। ১৫০-ও বেশ দূরের পথ মনে হচ্ছিল তখন। কিন্তু একটু পরই বদলে যায় গল্প।

ইনিংসের শেষ ওভারে ৫টি ছক্কা মেরেছেন আফগান ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ নবী
এএফপি
রুদ্ধশ্বাস মুহূর্ত ও মোহাম্মদ নবীর ব্যাটিং
ম্যাচের শেষদিকে যা ঘটছিল, তাতে বাংলাদেশের সুপার ফোরে খেলার সম্ভাবনা প্রায় কমে গিয়েছিল। শেষ ওভারে মোহাম্মদ নবীর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে সবার মনে শঙ্কা জেগেছিল। অথচ, ম্যাচের শুরুর দিকে মনে হচ্ছিল শ্রীলঙ্কার জন্য কাজটা সহজ হবে। প্রথম দুই ওভারে ভালো শুরু পেলেও আফগানিস্তান প্রায় পুরোটা সময়জুড়ে চাপেই ছিল ব্যাটিংয়ের সময়। কিন্তু দুই ওভারেই সব এলোমেলো হয়ে যায়, যার পেছনে ছিলেন মোহাম্মদ নবী। ১৮তম ওভার যখন শেষ হয়, তখন আফগানিস্তানের রান ৭ উইকেটে ১২০। ১৫০-ও বেশ দূরের পথ মনে হচ্ছিল তখন। কিন্তু একটু পরই বদলে যায় গল্প।
ম্যাচ মোড় ঘোরানো সেই ওভার
দুষ্মন্ত চামিরার ওভারে নবী টানা তিন বলে বাউন্ডারি মেরে ১৭ রান নেন। ততক্ষণ পর্যন্ত সব ঠিকঠাকই ছিল। কিন্তু দুনিত ভেল্লালাগের করা শেষ ওভারে যা হলো, তা ছিল এক কথায় অকল্পনীয়। প্রথম তিন বলেই ছক্কা হাঁকান নবী। দিশেহারা ভেল্লালাগে পরের বলটি ওয়াইড করেন। ফ্রি হিট থেকে আবারও ছক্কা হাঁকিয়ে নবী পরের বলটিও সীমানাছাড়া করেন। মাত্র এক ওভার থেকেই আসে ৩২ রান, যার মধ্যে ছিল ৫টি ছক্কা। পাওয়ার প্লেতে তিন উইকেট হারানোর পর পথহারা আফগানিস্তানকে দিশা খুঁজে দেন নবী। ২১ বলের হাফ সেঞ্চুরিতে নিজের নাম রেকর্ড বুকে তুলে নিলেও তার দল শেষ পর্যন্ত জিততে পারেনি।
বাংলাদেশের ভাগ্য
নবীর বিধ্বংসী ইনিংসের পর বাংলাদেশের সুপার ফোরে খেলার আশা প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কপালের আশায় বসে থাকা নাসুম আহমেদদের ভাগ্যে লেখা ছিল ভালো কিছু। শ্রীলঙ্কার জয়ে নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের সুপার ফোরে খেলা। এখন বাংলাদেশ এশিয়া কাপের শিরোপার জন্য লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেবে।
https://www.asiancricket.org/
