চার কারণে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমাল আইএমএফ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)ছবি: রয়টার্স।
বিশেষ প্রতিবেদন ঢাকা।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) চারটি কারণে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে। আইএমএফ জুনে প্রবৃদ্ধির হার ৫ দশমিক ৪% হওয়ার পূর্বাভাস দিলেও অক্টোবরে প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রতিবেদনে তা কমিয়ে ৪ দশমিক ৯% নির্ধারণ করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন এই চারটি কারণ উল্লেখ করেন:
জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমার ৪ কারণ
১. কঠোর নীতিগত মিশ্রণ: এই সময়ে সরকারের নীতিগত মিশ্রণ বা পলিসি মিক্স তুলনামূলকভাবে কড়াকড়ি হয়েছে।
২. শুল্কনীতি ও বাণিজ্যসংক্রান্ত অনিশ্চয়তা: শুল্কনীতি ও বাণিজ্যসংক্রান্ত অনিশ্চয়তা অর্থনৈতিক সম্ভাবনার ওপর বড় ভূমিকা রেখেছে।
৩. নির্বাচনকে ঘিরে অনিশ্চয়তা: আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে অনিশ্চয়তা, যা বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশায় প্রভাব ফেলবে।
৪. আর্থিক খাতের দুর্বলতা: আর্থিক খাতের দুর্বলতা, যা বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলবে।
মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস বৃদ্ধি
আইএমএফ বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির হারের পূর্বাভাস জুনে ৬ দশমিক ২% দিলেও অক্টোবরে তা বাড়িয়ে ৮ দশমিক ৭% করেছে।
শ্রীনিবাসন এর কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, এটি হবে মূলত বছরের শুরুর দিকে ঘটে যাওয়া সরবরাহ খাতে ধাক্কা লাগার ফলে।
সংস্কার কর্মসূচির অগ্রগতি
শ্রীনিবাসন জানান, চলমান ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য আইএমএফের একটি দল শিগগির বাংলাদেশ সফর করবে। এবার দুটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে সংস্কারের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা হবে:
১. রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর মাধ্যমে রাজস্ব খাতে সংস্কার।
২. আর্থিক খাতে কাঠামোগত সংস্কার।
