অসাধু চক্রের বিরাগভাজন এসিল্যান্ড রুবাইয়া বিনতে কাশেম: সততা ও ন্যায়ের পথে অনড় এক কর্মকর্তা
মোহাম্মদ উল্যা, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাশেম বর্তমানে স্থানীয় জনপদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের কারণে একদিকে তিনি যেমন সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও প্রশংসা পাচ্ছেন, তেমনি অন্য দিকে এক অসাধু চক্রের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন।
স্বচ্ছ ভূমি প্রশাসনের উদ্যোগ
কোম্পানীগঞ্জে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই রুবাইয়া বিনতে কাশেম দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেন। সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে তিনি নিয়মিত গণশুনানি ও অভিযোগ গ্রহণ শুরু করেন। তাঁর এই মানবিক ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক কার্যক্রমের ফলে সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিনের হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে শুরু করেছে।
ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে অসাধু চক্র
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, অবৈধ ভূমি দখল প্রতিরোধ এবং সরকারি নীতিমালা বাস্তবায়নে এসিল্যান্ডের কঠোর অবস্থানে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে একটি প্রভাবশালী সুবিধাভোগী মহল। দীর্ঘদিন ধরে যারা দুর্নীতির মাধ্যমে সুবিধা ভোগ করে আসছিল, তাঁদের স্বার্থে আঘাত লাগায় তাঁরা এখন এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়ে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
সুশাসনের অন্তরায়
সচেতন মহলের মতে, একজন সৎ ও সাহসী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণ শুধু ব্যক্তি বিশেষের ওপর আঘাত নয়, বরং এটি সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক প্রশাসনের বিরুদ্ধে এক অশুভ বার্তা। দুর্নীতিবাজদের ভয়ে যদি প্রশাসনিক কর্মকর্তারা পিছপা হন, তবে সাধারণ মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হবে।
অবিচল রুবাইয়া বিনতে কাশেম
সব আলোচনা-সমালোচনা এবং অপপ্রচারের মাঝেও নিজের দায়িত্ব পালনে অবিচল রয়েছেন রুবাইয়া বিনতে কাশেম। তাঁর এই দৃঢ় অবস্থান কোম্পানীগঞ্জের সাধারণ মানুষের কাছে তাঁকে ‘সততার প্রতীক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। স্থানীয়রা প্রত্যাশা করেন, প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেন এসব ভিত্তিহীন অপপ্রচারের বিপরীতে একজন সৎ কর্মকর্তার পাশে থেকে সুশাসন নিশ্চিত করে।
