মাটি পরিবহন নিয়ে সংঘর্ষ: চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ আহত বেশ কয়েকজন
মোহাম্মদ উল্যা, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মাটি ও বালু পরিবহনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রহিম (৪৫) সহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
ঘটনার সূত্রপাত ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
স্থানীয় ও আহতদের সূত্রে জানা যায়, প্রতিপক্ষ বাবর গ্রুপ অবৈধভাবে মাটি ও বালু পরিবহন করছিল—এমন অভিযোগে আবদুর রহিমের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা আলাউদ্দিন জিকু বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, বাবর গ্রুপের লোকজন জিকুর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে এক পর্যায়ে তাকে মারধর করে।
এদিকে অভিযুক্ত বাবর দাবি করেন, তাঁর মাটির গাড়ি চলাচলে জিকু বাধা দিয়ে চাঁদা দাবি করেছেন এবং তাঁর গাড়ির চালককে মারধর করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান প্রার্থীর ওপর হামলা
আহত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রহিম জানান, পরিস্থিতি এড়াতে তিনি জিকুকে বিরোধে না জড়ানোর পরামর্শ দিয়ে বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্যের দৃষ্টিতে আনার উদ্যোগ নেন। সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারীকে বিষয়টি জানানোর পর ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় বাবর গ্রুপের ১০–১৫ জন লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
পরিবারের সদস্যদের ওপরও হামলা
আবদুর রহিমের ওপর হামলার খবর পেয়ে তাঁকে দেখতে যাওয়ার পথে তাঁর তিন ভাই ও এক খালাতো ভাইয়ের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই হামলায় তাঁর খালাতো ভাইসহ জহির (৩৬), সাজ্জাদ হোসেন (২২), মোহাম্মদ ইব্রাহিম (৪৮) ও আলাউদ্দিন জিকু আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে এলাকাটিতে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
