নোয়াখালী-২ আসন: জয়নুল আবদীন ফারুক ছাড়াও বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন আবদুল মান্নান ও কাজী মফিজুর রহমান
মোহাম্মদ উল্যা, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে। এই আসনে বিএনপির ধানের শীষের হেভিওয়েট প্রার্থী ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদীন ফারুকের পাশাপাশি বিএনপির আরও দুই প্রভাবশালী নেতা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।
আবদুল মান্নানের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ
আজ রবিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন সৌদি আরব পশ্চিমাঞ্চলীয় বিএনপির আহ্বায়ক ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবদুল মান্নান। দলীয় নেতাকর্মীদের বিশাল বহর নিয়ে তিনি এই ফরম সংগ্রহ করেন।
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর এক প্রতিক্রিয়ায় আবদুল মান্নান সাংবাদিকদের বলেন, “আমি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী। চূড়ান্ত মনোনয়নের জন্য দলের সকল স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দোয়া কামনা করছি।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুরুল আমিন মোল্লা ও মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ মাসুদ, সেনবাগ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম টিপু ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মনির আহমেদ জুলেটসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মাঠে আছেন কাজী মফিজুর রহমানও
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে এই আসন থেকে বিএনপির হয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সেনবাগ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কাজী মফিজুর রহমান। তাঁর পক্ষে সেনবাগ পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক প্যানেল মেয়র কামাল উদ্দিন বাবুলসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত থেকে ফরম সংগ্রহ করেন।
প্রশাসনের বক্তব্য
নোয়াখালী-২ আসনে জয়নুল আবদীন ফারুক ছাড়াও আলহাজ্ব কাজী মফিজুর রহমান এবং আবদুল মান্নানের পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের বিষয়টি রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহসিয়া তাবাসসুম।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
একই আসন থেকে বিএনপির একাধিক নেতার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের ঘটনায় এলাকায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মাঝেও চলছে নানা সমীকরণ। দলের হাইকমান্ড শেষ পর্যন্ত কার ওপর আস্থা রাখে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
