জাতিসংঘের ৮০তম বার্ষিকীর সহ-আয়োজক ড. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশন

মোহাম্মদ উল্যা, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মানবিক নেতৃত্বের এক অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সহ-আয়োজকের মর্যাদা অর্জন করেছে ‘ড. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশন’। গত সোমবার লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টারের ঐতিহাসিক সেন্ট্রাল হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সহ-আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের এই প্রতিষ্ঠানটির অন্তর্ভুক্তি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ও মানবিক মানচিত্রে দেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

উপস্থিত বিশ্বনেতৃবৃন্দ

এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য ডাচেস অব এডিনবরো। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি আনালেনা বেয়ারবক, যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টের সদস্যবৃন্দ, হাউস অব লর্ডস-এর প্রতিনিধিগণ এবং বিশ্বের ৫৩টি দেশের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা।

বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন ড. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা এবং এম এইচ গ্লোবাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন এ. কে. এম. গোলাম কিবরিয়া (CIP)। তাঁর সঙ্গে ফাউন্ডেশনের যুব প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তাঁর দুই কন্যা জান্নাতুন নূর ও জান্নাতুন নাঈম।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও স্বীকৃতি

উল্লেখ্য যে, প্রায় ৮০ বছর আগে এই সেন্ট্রাল হল থেকেই জাতিসংঘ তার যাত্রা শুরু করেছিল। একই স্থানে ফাউন্ডেশনটির এই অংশগ্রহণকে মানবিক কার্যক্রমের প্রতি বিশ্বসম্প্রদায়ের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই স্মরণীয় মুহূর্তের অংশ হওয়ার জন্য ইউএনএ–ইউকে (UNA-UK)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেন কিনিনমন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যাপ্টেন গোলাম কিবরিয়া ও ড. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান।

মানবিক কার্যক্রমে বিশ্বব্যাপী পদচিহ্ন

ড. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশন বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৫টি দেশে জাতিসংঘের সাথে যৌথভাবে ‘পাঁচ শূন্যের অভিযান’ সহ বিভিন্ন মানবিক ও জীবনমান উন্নয়নমূলক কাজ করছে। সম্প্রতি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা ক্যাপ্টেন গোলাম কিবরিয়া অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘গ্লোবাল হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন।

ক্যাপ্টেন গোলাম কিবরিয়া জানান, “এই স্বীকৃতি কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের নয়; এটি বাংলাদেশের মানবিক মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের সম্মিলিত স্বীকৃতি।”

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *