‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’: প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে খুলনায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর উদ্বোধন, ময়মনসিংহে ভার্চুয়ালি সংযোগ

স্টাফ রিপোর্টার , ময়মনসিংহ

‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে যাত্রা শুরু করেছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’। খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি।

​খুলনার এই মূল উদ্বোধনী আয়োজন সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, বরিশাল এবং ময়মনসিংহের মতো দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলা ভার্চুয়ালি একযোগে সংযুক্ত হয়।

​ময়মনসিংহের ভার্চুয়াল সংযোগ ও উপস্থিতি

​কেন্দ্রীয় আয়োজনের অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় পর্যায়ে এক বর্ণাঢ্য ভার্চুয়াল সংযোগ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—

  • ​জনাব ওহাব আকন্দ — মাননীয় সংসদ সদস্য
  • ​মোঃ সাইফুর রহমান — জেলা প্রশাসক, ময়মনসিংহ
  • ​জনাব মোহাম্মদ কামরুল হাসান — পুলিশ সুপার, ময়মনসিংহ
  • ​মোঃ আরিফুল ইসলাম — উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)
  • ​এ কে এম মাহবুবুল আলম — সদস্য সচিব, জেলা ক্রীড়া সংস্থা

​এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে আনসার ও ভিডিপি, পিডিবি, স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক শিশু-কিশোর ও ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

​প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী বক্তব্য

​কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “খেলাধুলা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং একে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার সুযোগ সৃষ্টি করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অর্থনৈতিক ও পারিবারিক নির্ভরতার পথ তৈরি হবে।” তিনি আরও জানান, ক্রীড়াঙ্গনকে আধুনিকায়ন ও তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ।

​আনন্দঘন পরিবেশ ও ক্রীড়া উৎসব

​খুলনার মূল আয়োজনের সাথে তাল মিলিয়ে ময়মনসিংহেও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্ট ও কার্যক্রম শুরু হয়। উদ্বোধনী ভার্চুয়াল সংযোগের পর পুরো অনুষ্ঠানস্থল শিশু-কিশোর ও দর্শকদের সরব উপস্থিতিতে এক আনন্দঘন মিলনমেলায় রূপ নেয়।