অতিরিক্ত দামে পেট্রোল-অকটেন বিক্রির অভিযোগ: প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি
মোহাম্মদ উল্যা, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় সরকারি নির্ধারিত মূল্যের তোয়াক্কা না করে বেশি দামে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মোটরসাইকেল চালক ও ভোক্তারা। স্থানীয়দের দাবি, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফা আদায় করছেন।
মূল্য কারসাজির চিত্র
সরকারিভাবে বর্তমানে প্রতি লিটার পেট্রোলের মূল্য ১১৬ টাকা এবং অকটেনের মূল্য ১২০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও কবিরহাটের বিভিন্ন স্থানে তা ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ভুঞার হাট বাজারের ব্যবসায়ী মনির মিয়ার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি প্রতি লিটার পেট্রোল ১৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন, যা সরকারি দামের চেয়ে লিটার প্রতি ৩৪ টাকা বেশি।
এক দিনে লাখ টাকা বাড়তি আদায়ের অভিযোগ
ভুক্তভোগী এক ভোক্তা জানান, গত ৭ এপ্রিল (২০২৬) মনির মিয়া এক দিনেই প্রায় ২২০০ লিটার পেট্রোল বিক্রি করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি লিটারে অতিরিক্ত দাম রাখায় তিনি সাধারণ মানুষের পকেট থেকে প্রায় এক লাখ টাকা বাড়তি আদায় করেছেন। জরুরি প্রয়োজনকে পুঁজি করে এ ধরনের অনৈতিক মুনাফা অর্জন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষকে দিশেহারা করে তুলেছে।
সচেতন মহলের উদ্বেগ
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বাজারে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও সংকটের অজুহাত দেখিয়ে তেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে। তাঁরা দ্রুত বাজার মনিটরিং জোরদার করা, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।
প্রশাসনের নীরবতা ও অভিযুক্তের বক্তব্য
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মনির মিয়ার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা অভিযানের খবর পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিতিশীলতা রোধে নিয়মিত নজরদারি ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

কোন সরকার ব্যবস্থাকে স্বাগতম, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে তেল নিয়ে করানোর জন্য। তার সাথে ফুলের শুভেচ্ছা তাদের যারা সয়াবিন তেলের বদলে অকটেন এবং পেট্রোল দিয়ে রান্না করে।
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিএনপি নেতা 50000 লিটার তেল মজুদ করে রাখায়, গরিপুর সহ আশপাশ অঞ্চলে যে সংকট তৈরি করেছে, তার জন্য সরকারকে অশেষ ধন্যবাদ। আমাদেরকে ডিজিটাল থেকে এনালগ যুগে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারের অদম্য প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক।