চিকিৎসা সেবায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার ফেরাতে ‘ইউকে স্কুল অফ এআই’ (UKSAI)-এর বলিষ্ঠ পদযাত্রা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে

দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অন্যায়ের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে এক নতুন ভোরের সূচনা হতে যাচ্ছে। দেশের চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষা ব্যবস্থায় জেঁকে বসা জালিয়াতির শেকড় উপড়ে ফেলতে এবং সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বন্ধ করতে কোমর বেঁধে মাঠে নামছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। ব্রিটেন সরকারের লাইসেন্স প্রাপ্ত এই সংস্থাটি রাস্ট্রীয় অতিগোপনীয় বিষয় ব্যাতিত জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে তদন্তের গ্লোবাল বৈধতা রাখে! অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর দেশপ্রেমের সংমিশ্রণে গড়ে তোলা এই প্রকল্পের একমাত্র লক্ষ্য—একটি মানবিক ও জবাবদিহিমূলক চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

প্রধান উপদেষ্টার কঠোর হুঁশিয়ারি: “বিপথগামীদের দিন শেষ”

যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই ঐতিহাসিক অভিযানের ঘোষণা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান উপদেষ্টা জনাব তারেক খান অত্যন্ত আবেগপূর্ণ ও জোরালো কণ্ঠে বলেন:

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রশ্রয়ে এবং প্রয়োজনে সাদা পোশাকের পবিত্রতার আড়ালে একদল বিপথগামী ডাক্তার যে অন্ধকার জগৎ গড়ে তুলেছে, আজ তা ধ্বংস করার সময় এসেছে। তারা দুর্নীতি করতে করতে ক্লান্ত হতে পারে, কিন্তু আমরা তাদের পাপের ঋণ পরিশোধে মোটেই ক্লান্ত নই। আজ তাদের চিহ্নিত করে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা সাত সমুদ্র তেরো নদী দূরে আছি বলে যারা নিজেদের সবল ভাবছেন, তারা বোকার নরকে বাস করছেন। যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এমন এক একনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত কর্মীবাহিনী রয়েছে, যাদের মাতৃভূমির প্রতি দায়বদ্ধতা সারা বিশ্ব নন্দিত। আমরা আমাদের মাটি ও মানুষের ঋন শোধ করতে এই লড়াইয়ে নেমেছি।”

পাইলট প্রকল্পের সূচনা: হৃদয়ে ময়মনসিংহ

এই শুদ্ধি অভিযানের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ঐতিহ্যের জনপদ ময়মনসিংহকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে পছন্দ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং দুর্নীতি বিরোধী সাংবাদিক শেখ মেহেদী হাসান নাদিম ময়মনসিংহের মাঠে থেকে প্রতিটি অভিযোগের তদারকি করবেন।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শুরু করে প্রতিটি গলির ক্লিনিক—কোথাও কোনো অন্যায়ের স্থান হবে না। জনাব নাদিম মাঠ পর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে এই পাইলট প্রজেক্টটি পরিচালনা করবেন।

তথ্য যাবে সরাসরি নীতিনির্ধারকের হাতে

জনাব তারেক খান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, এই প্রকল্পের সংগৃহীত প্রতিটি তথ্য বিদেশের উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ গবেষকদের মাধ্যমে কঠোরভাবে নিরীক্ষণ করা হবে। তিনি ঘোষণা করেন: “আমাদের এই গবেষণালব্ধ তথ্য ও দুর্নীতির চিত্র আমরা সরাসরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে তুলে দেব। তাঁর আজীবনের স্বপ্ন—একটি ‘দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ’। আমরা সেই স্বপ্নের সারথি হয়ে স্বাস্থ্যখাতকে কলঙ্কমুক্ত করতে চাই।”
ভুক্তভোগীরা সরকারী হট লাইন ১৬২৬৩ নম্বরে কল দিয়ে সরাসরি অভিযোগ দায়ের করার পাশাপাশি এই সংস্থার ইমেইল “info@uksai.co.uk” এবং জনাব নাদিম এর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে অভিযোগ পাঠাতে পারবেন।

ডিজিটাল বিপ্লবে অংশ নিন: অনলাইনে অভিযোগের আহ্বান

নিরাপত্তা এবং নিখুঁত যাচাই-বাছাইয়ের স্বার্থে UKSAI-এর পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষকে বিশেষ কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলে অনলাইনে অভিযোগ প্রেরণের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে। এই সিস্টেম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে, কোনো প্রভাবশালী পক্ষই অভিযোগকারীকে হেনস্তা করতে পারবে না।

যদি কোনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে অবহেলা বা গড়িমসি করে, তবে UKSAI তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এবং বিশ্ব তদারকি সংস্থাগুলোর নজরে আনবে। ময়মনসিংহের মাটি থেকে শুরু হওয়া এই বিপ্লব সারা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *