গাজীপুরের নাটায় সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের ‘বুক কর্নার’ উদ্বোধন
নিজস্ব প্রতিবেদক

কৃষি খাতে আঞ্চলিক জ্ঞান বিনিময় ও গবেষণালব্ধ তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে গাজীপুরের ন্যাশনাল এগ্রিকালচার ট্রেনিং একাডেমিতে (নাটা) ‘সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার (SAC) বুক কর্নার’ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বুক কর্নারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
উদ্বোধন ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতি
নাটার ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এই বুক কর্নারটি যৌথভাবে উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (DAE) মহাপরিচালক মো. আবদুর রহিম এবং নাটার মহাপরিচালক মো. সাইফুল আজম খান। অনুষ্ঠানে সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট ড. মো. ইউনুস আলী (লাইভস্টক), ড. রাজা উল্লাহ খান (প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা), ড. সিকান্দার খান তানভীর (শস্য) এবং ড. মো. শরিফুল ইসলাম (মৎস্য) উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া নাটার উপ-পরিচালক ড. সুকল্প দাস, ড. মো. হুজজাতুল ইসলাম এবং সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মো. আবুল বাশারসহ জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেমের (NARS) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
জ্ঞানভিত্তিক কৃষির নতুন দিগন্ত
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা কৃষি উন্নয়নের জন্য তথ্য-প্রমাণ ভিত্তিক জ্ঞানের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা উল্লেখ করেন, নাটার মতো প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলো মাঠ পর্যায়ের সম্প্রসারণ সেবা এবং নীতি বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। এই বুক কর্নারটি প্রশিক্ষক, কর্মকর্তা এবং কৃষি পেশাজীবীদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত রিসোর্স হাব হিসেবে কাজ করবে।
সংরক্ষিত থাকবে গবেষণালব্ধ প্রকাশনা
এই বুক কর্নারে সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের (SAC) বিভিন্ন আঞ্চলিক গবেষণা ফলাফল, জার্নাল, পলিসি ব্রিফ এবং শস্য, গবাদি পশু, মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত নথিপত্র সংরক্ষিত থাকবে। এর ফলে আঞ্চলিক গবেষণার সাথে মাঠ পর্যায়ের প্রয়োগের দূরত্ব ঘুচবে বলে মনে করছে সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার।
টেকসই কৃষি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই উদ্যোগটি সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের সাথে জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা আরও জোরদার করবে। এটি বাংলাদেশে একটি জ্ঞান-চালিত এবং টেকসই কৃষি খাত গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
