খাল থেকে বস্তাবন্দী গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার; নিহত যুবক নিখোঁজ অটোরিকশা চালক
মোহাম্মদ উল্যা, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে খাল থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় হাত-পা বাঁধা এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৯ মার্চ) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চৌমুহনী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গণিপুর খাল থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
যেভাবে উদ্ধার হলো মরদেহ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর ১টার দিকে বেগমগঞ্জ স্টেডিয়াম সংলগ্ন গণিপুর খালে একটি সন্দেহজনক বস্তা ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। দীর্ঘ সময় বস্তাটি একই স্থানে পড়ে থাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তাটি উদ্ধার করে এবং ভেতরে এক যুবকের গলাকাটা ও হাত-পা বাঁধা মরদেহ দেখতে পায়।
নিহতের পরিচয় শনাক্ত
প্রাথমিকভাবে অজ্ঞাত হিসেবে উদ্ধার হলেও পরবর্তীতে নিহতের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। এডভোকেট নজরুল ইসলাম সুমন জানান, নিহত যুবকের নাম হোসেন আহমেদ হেঞ্জু (৩৯)। তিনি নোয়াখালী সদর উপজেলার ১ নং চরমটুয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন। চৌমুহনী কলেজ রোডের বাসা থেকে গত কয়েকদিন আগে রাত ৮টার দিকে অটোরিকশাসহ তিনি নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
সংশ্লিষ্ট খবর:শিক্ষক দম্পতির বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি; নগদ টাকা ও ৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট
পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ধারণা
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অন্তত ২-৩ দিন আগে কে বা কাহারা হেঞ্জুকে হত্যার পর মরদেহটি বস্তায় ভরে খালে ফেলে দিয়ে গেছে। এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে করছে প্রশাসন।
বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, “মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে।”
