
ফ্রম ডাস্ক টিল ডন’ সিনেমায় সালমা হায়েক। আইএমডিবি
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৯: ৫০
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নানা ধরনের চরিত্রে দেখা গেছে সালমা হায়েককে। কিন্তু এর মধ্যে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং দৃশ্য কোনটি? আজ মেক্সিকান এই অভিনেত্রীর জন্মদিন। এ উপলক্ষে অনলাইন গণমাধ্যম ফার আউট অবলম্বনে জেনে নেওয়া যাক সালমার চ্যালেঞ্জিং দৃশ্যের কথা।
হলিউডে সালমা হায়েকের যাত্রাপথে কঠিন দৃশ্যের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিন্তু তাঁর নিজের ভাষায়, সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ছিল সেই দৃশ্য, যেখানে তাঁকে জয় করতে হয়েছিল ভয়কে।
১৯৯০-এর দশকে রবার্ট রদ্রিগেজের ‘ডেসপারাডো’ ছবির মাধ্যমে প্রথমবার আলোচনায় আসেন হায়েক। তবে শুরুর কয়েক বছর তাঁকে বারবার এমন চরিত্রেই অভিনয় করতে হয়েছিল, যা পুরোটাই পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে নির্মিত চরিত্র। তাই ২০০২ সালে ‘ফ্রিদা’ ছবির মাধ্যমে সেই ইমেজ ভাঙার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন তিনি।
ফ্রিদা কাহলোর জীবন অবলম্বনে নির্মিত সেই বায়োপিক সালমাকে প্রথমবারের মতো নিজের অভিনয়শক্তি প্রদর্শনের সুযোগ দেয়। ভালোবাসা, বেদনা, দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণা, এমনকি অঙ্গহানির দৃশ্যও ছিল সেখানে। ছবিটি তাঁকে এনে দেয় অস্কারের সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন। অথচ এর কিছু বছর আগেই তিনি ‘ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্ট’-এর মতো ছবিতে নিছক গ্ল্যামার চরিত্রে অভিনয় করে চলেছেন।
তবু হায়েকের মতে, ‘ফ্রিদা’ ছিল তাঁর কাছে আনন্দময় অভিজ্ঞতা। প্রতিদিন শুটিং সেটে যাওয়ার জন্য তিনি অধীর হয়ে থাকতেন। তাঁর মতে, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এসেছিল ১৯৯৬ সালের ‘ফ্রম ডাস্ক টিল ডন’ সিনেমায়। যে সিনেমা মুক্তির পর রাতারাতি আবেদনময়ী অভিনেত্রীর তকমা পান তিনি।

ফ্রম ডাস্ক টিল ডন’ সিনেমায় সালমা হায়েক। আইএমডিবি
ফ্রিদা কাহলোর জীবন অবলম্বনে নির্মিত সেই বায়োপিক সালমাকে প্রথমবারের মতো নিজের অভিনয়শক্তি প্রদর্শনের সুযোগ দেয়। ভালোবাসা, বেদনা, দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণা, এমনকি অঙ্গহানির দৃশ্যও ছিল সেখানে। ছবিটি তাঁকে এনে দেয় অস্কারের সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন। অথচ এর কিছু বছর আগেই তিনি ‘ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্ট’-এর মতো ছবিতে নিছক গ্ল্যামার চরিত্রে অভিনয় করে চলেছেন।
তবু হায়েকের মতে, ‘ফ্রিদা’ ছিল তাঁর কাছে আনন্দময় অভিজ্ঞতা। প্রতিদিন শুটিং সেটে যাওয়ার জন্য তিনি অধীর হয়ে থাকতেন। তাঁর মতে, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এসেছিল ১৯৯৬ সালের ‘ফ্রম ডাস্ক টিল ডন’ সিনেমায়। যে সিনেমা মুক্তির পর রাতারাতি আবেদনময়ী অভিনেত্রীর তকমা পান তিনি।
