মানবতার ফেরিওয়ালা ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালে চাঁদাবাজি: মঈন উদ্দিন মঈনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
জাহিদ হাসান

বিনা পারিশ্রমিকে দুই হাজারের বেশি কিডনি প্রতিস্থাপন করে দেশের মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক কামরুল ইসলাম। তবে নিরলস এই মানবসেবক এবার পড়েছেন সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্রের খপ্পরে। রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মঈন উদ্দিন মঈনের নেতৃত্বে একদল যুবক তাঁর হাসপাতালে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের নেপথ্যে
ডা. কামরুল ইসলাম ঢাকার শ্যামলীতে গড়ে তুলেছেন ‘সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতাল’। অভিযোগ রয়েছে, গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকেই এই হাসপাতালের ওপর নজর পড়ে মঈন উদ্দিন মঈনের চক্রটির। মূলত হাসপাতালের খাবারের সরবরাহ (ক্যান্টিন) কেন্দ্র করেই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। মঈনকে টেন্ডার না দেওয়ায় তিনি ও তাঁর সহযোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং এরপর থেকেই শুরু হয় চাঁদা দাবি ও হুমকি-ধমকি।
সিসিটিভি ফুটেজে আতঙ্কের চিত্র
একটি সংগৃহীত সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, যুবদল নেতা মঈন হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে কর্মরত কর্মীদের ধমক দিচ্ছেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন। এই চক্রের আরেক সদস্য মাঈনুদ্দিনের বিরুদ্ধে খুন ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।
চিকিৎসকের উদ্বেগ ও প্রতিকারহীনতা
অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম জানান, “জুলাই-আগস্টের পর থেকেই এই চক্রটি নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করছে। বিষয়টি নিয়ে বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতাদের কাছে অভিযোগ জানালেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান মেলেনি।” হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে শেরে বাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।
পুলিশের ভূমিকা ও সমঝোতা বৈঠক
এ বিষয়ে শেরে বাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে আশ্চর্যজনকভাবে তিনি দাবি করেছেন, পুলিশের কাছে চাঁদাবাজির কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করা হয়নি। বরং হাসপাতালের এক স্টাফের সাথে বিরোধ নিয়ে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) থানায় একটি ‘সমঝোতা বৈঠক’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সচেতন মহলের প্রতিক্রিয়া
দেশের একজন শ্রেষ্ঠ চিকিৎসক, যিনি ১৯ বছর ধরে নিঃস্বার্থভাবে সেবা দিচ্ছেন, তাঁর কর্মক্ষেত্রে এমন রাজনৈতিক হয়রানি ও চাঁদাবাজির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।

বিএনপি নেতারা মনে হয় ৫ই আগস্ট এর দিন ঘরের ভেতরে ছিলেন।
এক সময় দেশে কারেন্ট থাকতো কিন্তু খাম্বা থাকতো না। কিন্তু এখন খাম্বা থাকে ঠিকই কিন্তু কারেন্ট থাকে না।
দুনিয়ার যত সব ভিখারী নাঙ্গা ক্ষুধার্ত কুকুর গুলাকে, বিএনপি নেতৃত্ব স্থানে বসিয়ে দেশের সাধারণ জনগণ তথা বিশেষ ব্যক্তি সম্পন্ন মানুষ যারা বাংলাদেশে কন্টিবিইউট করেই গেছে কিন্তু কখনো কিছু নেয়নি, তাদের কাছে চাঁদা দাবি করছে, তাদের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সহ মানুষের বাড়িঘর ভাঙচুর করছে। এ কেমন ডাকাত সরকার?? দেশ চালাচ্ছে।