ধানক্ষেত থেকে প্রতিবন্ধী অটো চালকের মরদেহ উদ্ধার
মোহাম্মদ উল্যা, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

একটি উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী অটোরিকশা চালককে হত্যার পর ধানক্ষেতে ফেলে রেখেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে একটি বাড়ির পেছনের ধানক্ষেত থেকে ওই চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ ও মরদেহ শনাক্ত
নিহত চালকের নাম আবদুল আহাদ (২৪), তিনি স্থানীয় নুরুল আলমের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে মুন্সী বাড়ির পেছনের ধানক্ষেতে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। পরে স্থানীয়রা এসে মরদেহটি নিখোঁজ আহাদের বলে শনাক্ত করেন। উদ্ধারের সময় আহাদের মুখ ও গলায় টেপ প্যাঁচানো অবস্থায় ছিল, যা থেকে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ড?
ঘটনাস্থলে আহাদের ব্যবহৃত অটোরিকশাটি পাওয়া যায়নি। স্থানীয় ইউপি সদস্য মানিক জানান, ছিনতাইকারীরা অটোরিকশাটি নিয়ে যাওয়ার জন্যই আহাদকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নির্জন ধানক্ষেতে ফেলে গেছে বলে তাঁদের ধারণা। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমিয়েছেন।
তদন্তে পুলিশ ও পরবর্তী পদক্ষেপ
বেগমগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তিনি বলেন, “হত্যার প্রকৃত কারণ ও এর পেছনে কারা জড়িত তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।” ঘাতকদের শনাক্ত ও অটোরিকশাটি উদ্ধারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
