চাকসু নির্বাচন: ফিরে আসার লড়াইয়ে ছাত্রশিবির

চাকসু ভবন।

মোশাররফ শাহ, চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনকে ইসলামী ছাত্রশিবির তাদের ‘ফিরে আসার লড়াই’ হিসেবে দেখছে। ২০১৪ সাল থেকে ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারা এই সংগঠনটি রাজনৈতিক পালাবদলের পর এখন আবার ছাত্ররাজনীতিতে ফিরেছে।

​সংগঠনটি মনে করছে, চাকসু নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘ প্রস্তুতি এবং সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে শিক্ষার্থীরা এবার পুরো প্যানেলে তাঁদের ভোট দেবেন।

​ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোহম্মদ আলী বলেন, “৫ আগস্টের আগে শিক্ষার্থীরা শিবিরের কার্যক্রম দেখার সুযোগ পাননি। এ কারণে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, যাতে শিবিরের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডগুলো শিক্ষার্থীরা দেখেন। আশা করছি শিক্ষার্থীরা মূল্যায়ন করবেন।”

​প্রচারণা কৌশল

​চাকসুতে প্রায় ২৮ হাজার ভোটার, যার মধ্যে ১৮ হাজারই অনাবাসিক। এই অনাবাসিক ভোটারদের কাছে পৌঁছানোকে প্রার্থীরা প্রধান চ্যালেঞ্জ মনে করছেন।

  • ​প্রচার মাধ্যম: ছাত্রশিবির–সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইশতেহার ও প্রার্থী পরিচিতির ভিডিও দিচ্ছে।
  • ​সরাসরি যোগাযোগ: অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছাতে তাঁরা অনুষদ ভবন, ঝুপড়ি ও ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ মোড়, নগরের ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশন ও শাটল ট্রেনে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

​আগামী বুধবার চাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবার মোট ১২টি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল লড়াই ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

​ছাত্রশিবির তাদের প্রচারণায় আবাসন, যাতায়াত সংকট নিরসন, নিরাপদ ক্যাম্পাস নির্মাণ, সেশনজট কমানো, নারীবান্ধব ক্যাম্পাস ও ক্যারিয়ার উন্নয়নসহ মোট ৯টি বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে।

Leave a Comment