নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে সমাধানের পথ খোঁজার উদ্যোগের অংশ হিসেবে বামপন্থী পাঁচটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে গণতন্ত্র মঞ্চের বৈঠক। সোমবার রাতে রাজধানীর হাতিরপুলের একটি রেস্তোরাঁয়ছবি: সংগৃহীত।
‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে সৃষ্ট রাজনৈতিক সংকটে মাঝামাঝি সমাধানের পথ খোঁজার উদ্যোগ নিয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ। এর অংশ হিসেবে এবার পাঁচটি বামপন্থী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে মঞ্চভুক্ত ছয় দলের নেতারা। এর আগে তারা তিনটি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছিল।
সোমবার রাতে রাজধানীর হাতিরপুলের একটি রেস্তোরাঁয় গণতন্ত্র মঞ্চের সঙ্গে এই পাঁচ দলের অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দলসমূহ
বামপন্থী পাঁচটি দলের মধ্যে তিনটি দল হলো বাম গণতান্ত্রিক জোটভুক্ত:
- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)
- বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)
- বাসদ (মার্ক্সবাদী)
অন্য দুটি বামধারার দল হচ্ছে বাংলাদেশ জাসদ ও জাতীয় গণফ্রন্ট।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে সমাধানের পথ খোঁজার উদ্যোগের অংশ হিসেবে বামপন্থী পাঁচটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে গণতন্ত্র মঞ্চের বৈঠক। সোমবার রাতে রাজধানীর হাতিরপুলের একটি রেস্তোরাঁয়
ছবি: সংগৃহীত
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, এবং গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষে জোনায়েদ সাকি, মাহমুদুর রহমান মান্না ও সাইফুল হকসহ অন্যরা।
ঐকমত্যের পথে আলোচনা
জুলাই সনদের পদ্ধতি নিয়ে বড় দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কার্যত মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যে এই উদ্যোগ নিল গণতন্ত্র মঞ্চ। এই পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সংস্কার প্রশ্নে মাঝামাঝি সমাধানের পথ খুঁজতেই বিভিন্ন দলের সঙ্গে মতবিনিময় করছে গণতন্ত্র মঞ্চ।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি প্রথম আলোকে জানান, বামপন্থী পাঁচ দলের সঙ্গে আলোচনায় জুলাই সনদের বিষয়টি নিয়ে তাদের কাছাকাছি অবস্থান উঠে এসেছে। তারা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং আগামী দিনের সম্ভাব্য রাজনৈতিক মেরুকরণ নিয়েও নিজেদের ধারণাগুলো নিয়ে কথা বলেছেন।
পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গণসংহতি আন্দোলন জানায়, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় দলগুলোর মধ্যকার মতানৈক্য দূর করে বৃহত্তর ঐকমত্য তৈরির উদ্দেশ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে চলমান রাজনৈতিক সংকট ও সমাধান, বিচার, সংস্কার ও নির্বাচনের পথরেখা নিয়ে আলোচনা হয়।