গণ অধিকার পরিষদের সভাপতির ওপর হামলা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি

গণ অধিকার পরিষদের সংবাদ সম্মেলন। আজ রোববার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৩: ৫৫
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক-এর ওপর হামলার ঘটনায় সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তিনি বলেছেন, এই দায় নিয়ে তাঁকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবি
গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশ ছাড়া এই ঘটনা ঘটেনি। যে কারণে তাঁকে এই ঘটনার দায় নিয়ে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায়, ৪৮ ঘণ্টা পর যদি গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা সচিবালয় কিংবা যমুনা ঘেরাও করেন, তার পুরো দায় সরকারের ওপর বর্তাবে।
রাশেদ খান আরও বলেন, যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, তাদের কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ঘটনার স্পষ্ট ভিডিও ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় বিচার নিয়ে এক ধরনের সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।
নুরুল হকের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা
গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জানান, নুরুল হকের শারীরিক জটিলতা এখনো কাটেনি। উদাহরণস্বরূপ, তাঁর নাকের হাড় এবং চোয়াল ভাঙা। এছাড়াও, তাঁর মাড়িতে আঘাত আছে, যে কারণে তিনি শক্ত কোনো খাবার খেতে পারছেন না। তাঁর মাথায়ও আঘাত লেগেছে।
এই সব দিক বিবেচনা করে সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নুরুল হককে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে পাঠানোর কথা বলেছিলেন। কিন্তু এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে এক ধরনের গড়িমসি করা হচ্ছে। গণ অধিকার পরিষদের সন্দেহ, নুরুল হক যে গুরুতর আহত হয়েছেন, সেটিকে আন্তর্জাতিক মহলে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এই গড়িমসি করা হচ্ছে। তাই, তারা সরকারের এই গড়িমসিকে হতাশাজনক বলে মনে করে। (দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অন্যান্য খবর দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন)।
রাশেদ খান বলেন, গণ অধিকার পরিষদ মনে করে, নুরুল হককে যদি বিদেশে চিকিৎসার জন্য নিতে হয়, সেটি দলের পক্ষ থেকে নেওয়া হবে। তারা সরকারের দয়ার ওপর নির্ভর করতে চান না। তাই, নুরুল হককে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার যে ঘোষণা সরকার দিয়েছিল, গণ অধিকার পরিষদ তা প্রত্যাখ্যান করছে।
