নোবিপ্রবিতে স্মার্ট বোর্ড হস্তান্তর: প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষায় নতুন অগ্রযাত্রা
মোহাম্মদ উল্যা, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, গতিশীল এবং প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলতে বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও দপ্তরে স্মার্ট বোর্ড হস্তান্তর করা হয়েছে। রবিবার (১০ মে ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব প্রযুক্তি সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়।
স্মার্ট ক্যাম্পাসের লক্ষ্য ও প্রধান অতিথির বক্তব্য
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের হাতে স্মার্ট বোর্ড তুলে দিয়ে বলেন, “বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থাই ভবিষ্যতের পথ নির্দেশ করছে। শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। স্মার্ট বোর্ড ব্যবহারের মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান আরও ইন্টারেক্টিভ ও শিক্ষার্থীবান্ধব হবে।”
উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন গবেষণাবান্ধব ও স্মার্ট ক্যাম্পাসে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে শিক্ষা ও প্রশাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
যেসব বিভাগে স্মার্ট বোর্ড হস্তান্তর
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্মার্ট শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নিচের বিভাগ ও দপ্তরগুলোতে এসব বোর্ড প্রদান করা হয়েছে:
- ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (IIT)।
- ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ICE)।
- ফার্মেসি, মাইক্রোবায়োলজি ও বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগ।
- ব্যবসায় প্রশাসন ও ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট বিভাগ।
- অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি, এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স ও অ্যাপ্লায়েড ম্যাথমেটিক্স।
- উপাচার্য দপ্তর ও র্যাঙ্কিং সেল।
বিশেষ অতিথি ও উপস্থিতিবৃন্দ
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউট পরিচালক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, আধুনিক এই প্রযুক্তির সংযোজন মাল্টিমিডিয়াভিত্তিক পাঠদানকে আরও কার্যকর করবে এবং শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ বহুগুণ বৃদ্ধি করবে।
