সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া ঝাঁপিয়ে না পড়তে তারেক রহমানের পরামর্শ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা।

তারেক রহমান। ফাইল ছবি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কিছু বলা, লেখা বা বিশ্বাস করার ক্ষেত্রে সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, কোনো মন্তব্য করার আগে সেটি দিয়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবে কি না, তা ভাবতে হবে। পাশাপাশি, কোনো কিছু দেখলেই বা শুনলেই তা বিশ্বাস না করে যাচাই-বাছাই করে দেখার কথা বলেছেন তিনি।
বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় ও শেষ পর্বে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান এসব কথা বলেন। এই পর্বে তিনি সংস্কার, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক, ওয়ান-ইলেভেন এবং রাজনীতির বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
সচেতনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা
গণতন্ত্র ও মানুষের বাক্-স্বাধীনতায় বিশ্বাসী হলেও তারেক রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন থাকার ওপর জোর দেন:
- ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিবেচনা: তিনি বলেন, প্রত্যেকেরই মত প্রকাশের অধিকার আছে। তবে আমরা যদি এতটুকু সচেতন হই যে আমার মত প্রকাশের ফলে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলো কি না, এই বিষয়টিকে বিবেচনায় রাখা উচিত।
- ফ্যাক্ট চেক (Fact Check): তারেক রহমান বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার বহুল ব্যবহারের ফলে ডিসইনফরমেশন বা মিসইনফরমেশন সামনে চলে এসেছে। তাই কোনো কিছু দেখলেই বা শুনলেই তাতে ঝাঁপিয়ে না পড়ে, ‘ফ্যাক্ট চেক’ করে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
তিনি প্রশ্ন করেন, যদি কোনো তথ্য মিথ্যা হয়, তবে কেন একজন মানুষ সেটির সঙ্গে নিজেকে সংশ্লিষ্ট করবেন বা তার ওপর মতামত দেবেন।
নেতিবাচক ব্যবহার এবং মিম উপভোগ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক ব্যবহারের দিক তুলে ধরে তারেক রহমান ডিনামাইটের উদাহরণ টেনে বলেন, ডিনামাইট আবিষ্কার হয়েছিল রাস্তাঘাট তৈরি বা চাষের জমিতে সহায়তা করার জন্য, কিন্তু পরে তা মানুষ হত্যার মতো জঘন্য কাজেও ব্যবহার করা হয়েছে।
তবে নিজেকে নিয়ে তৈরি মিম বা কার্টুনকে তিনি কীভাবে দেখেন—জানতে চাইলে তারেক রহমান জানান, তিনি সেগুলোকে বেশ উপভোগ করেন।
