শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ ৯ এপ্রিল: ব্যাপক নিরাপত্তা বলয়ে প্রস্তুত শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী
স্টাফ রিপোর্টার

আগামী ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। স্বচ্ছ ব্যালট পেপারের মাধ্যমে সকাল ৭:৩০টা থেকে বিকেল ৪:৩০টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।
স্থগিত হওয়া নির্বাচনের প্রেক্ষাপট
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুজনিত কারণে এই আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২৪ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত নতুন তফসিল অনুযায়ী আগামী ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারিত হয়। এই নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নিরাপত্তার চাদরে নির্বাচনী এলাকা
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যমতে:
- বিজিবি: ১৬ প্লাটুন (প্রায় ৩২০ জন) বিজিবি সদস্য ৪ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত মাঠে থাকবেন।
- র্যাব ও পুলিশ: র্যাবের ১০টি নিয়মিত টিম ও ৪টি রিজার্ভ টিম দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া পুলিশের ২৬টি মোবাইল টিম মোতায়েন থাকবে।
- কেন্দ্র নিরাপত্তা: প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ৫-৬ জন পুলিশ সদস্য এবং ১২ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য সার্বক্ষণিক পাহারায় থাকবেন।
- ম্যাজিস্ট্রেট ও বিচারক: ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইলেকশন ইনকোয়ারি কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ নির্বাচনী তদারকিতে থাকবেন।
- সেনাবাহিনী: নির্বাচনী এলাকায় সেনাবাহিনীর কয়েকটি টিমও বিশেষ দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে।
ভোটের পরিসংখ্যান
এই আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা তাঁদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। নির্বাচন কমিশন থেকে ১৮ জন পর্যবেক্ষক পুরো প্রক্রিয়াটি সরাসরি তদারকি করবেন। অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনে কমিশন সম্পূর্ণ বদ্ধপরিকর বলে জানানো হয়েছে।
