​কোন পথে নেপাল: অলির জায়গায় কে আসছেন, শোনা যাচ্ছে একাধিক নাম

নেপালের সিংহদরবার প্রাঙ্গণে আগুন জ্বলছে। এখানেই দেশটির প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ও অন্যান্য মন্ত্রণালয় অবস্থিত। ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ছবি: রয়টার্স

লেখা: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:০৬

​সহিংস বিক্ষোভের পর নেপালে কে পি শর্মা অলি সরকারের পতন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওদেল। প্রেসিডেন্ট পাওদেল খুব সম্ভবত নেপালি সেনাবাহিনীর সুরক্ষায় রয়েছেন।

​তরুণদের বিক্ষোভের মুখে অলি সরকারের পতনের পর আগামী দিনগুলোতে নেপালের পরিস্থিতি কোন দিকে এগোবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

​প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অলির পদত্যাগ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে পরবর্তী ব্যবস্থা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে দায়িত্বে বহাল থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে।

​অলি কোথায় আছেন, তাঁর ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য জানা যায়নি। প্রেসিডেন্ট বা সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও কিছু জানানো হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্টের তাঁকে দায়িত্ব পালন করে যেতে অনুরোধ করার বিষয়টি অনেকেই অবাক করেছে।

​নেপালের সংবিধান বিশেষজ্ঞ ভিমার্জুন আচার্য বলেন, ‘আমাদের সামনে এমন একটি পরিস্থিতি এসেছে, যার জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম না। কেবল সর্বদলীয় আলোচনার মাধ্যমে এর একটি সমাধান বের করা সম্ভব।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সম্ভাব্য প্রধান হিসেবে নেপালের সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি ও তাঁর পূর্বসূরি কল্যাণ শ্রেষ্ঠার নাম শোনা যাচ্ছে। তাঁদের দুজনের বয়সই ৭০ পেরিয়ে গেছে।

​অনেকের মতো ভিমার্জুন আচার্যও মনে করেন, ১০ বছর আগে রচিত নেপালের বর্তমান সংবিধান কার্যত এখন অকার্যকর। অন্তর্বর্তী ব্যবস্থাই এখন পরবর্তী পদক্ষেপ হওয়া উচিত।

​সে ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কে অলির জায়গা নিতে চলেছেন? সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন এখন এটা। কারণ, নেপালের রাস্তায় বিক্ষোভের যে ঝড় বয়ে গেছে, সে ঝড়ে সব দলের নেতারাই রোষের লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *