শিক্ষকেরা ‘পিতৃতুল্য’, তাঁদের গায়ে হাত তোলা হয়নি: দাবি সালাউদ্দিন আম্মারের

প্রতিনিধি

রাজশাহী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৭: ১১

পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে সহ–উপাচার্য মাঈন উদ্দীনের গাড়ি ঘেরাও করেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল শনিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনেছবি: শহীদুল ইসলাম

​রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পোষ্য কোটা নিয়ে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার। তিনি দাবি করেন, শিক্ষকেরা ‘পিতৃতুল্য’ এবং তাঁদের কারও গায়ে হাত তোলা হয়নি। বরং, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্য থেকে কয়েকজন তার ও শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হয়েছিলেন বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস ও আম্মারের ব্যাখ্যা

​আজ রোববার এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একাধিক স্ট্যাটাস দিয়েছেন সালাউদ্দিন আম্মার। পোষ্য কোটা বাতিলের আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায়, তার নেতৃত্বে প্রশাসন ভবনের সামনে সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীনের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। সহ-উপাচার্যের বাসভবনের ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জুবেরী ভবনের ভেতরে প্রবেশপথে সহ-উপাচার্যসহ অন্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সামনে তিনিসহ অন্য শিক্ষার্থীরা হাত প্রসারিত করে দাঁড়ান। সেখানে একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন আম্মারকেও দেখা গেছে। এ নিয়ে গতকাল শনিবার রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনা হচ্ছিল।

ছাত্রদের অবস্থান ও পরবর্তী পদক্ষেপ

​সালাউদ্দিন আম্মারের দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় শিক্ষার্থীরা মর্মাহত হয়েছেন। তারা শুধুমাত্র তাদের যৌক্তিক দাবি আদায়ে আন্দোলন করছিলেন। তবে কোনো ধরনের সহিংসতা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি আশা করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেবে এবং ভবিষ্যতে এমন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না। এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *