ঐ ‘মির্জা-পলাশ’ 👹 সিন্ডিকেট? সত্যকে ধামাচাপা দেওয়ার স্পর্ধা দেখাইও না—তারুণ্য জাগিয়াছে!
নাফিউস সুলতান রোহান
আহ্বায়ক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
কমিউনিটি বেজড মেডিকেল কলেজ (সিবিএমসিবি), ময়মনসিংহে পাবলিক পরীক্ষার পবিত্রতা নষ্টকারী, রুটিন জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁসের মতো ঘৃণ্য অপরাধে যুক্ত ‘মির্জা-পলাশ’ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে তদন্ত না করিয়া, উল্টো সত্যকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার হীন চক্রান্তের বিরুদ্ধে আজ গর্জিয়া উঠিয়াছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে সংগঠনের ময়মনসিংহ মহানগরের আহবায়ক ও ছাত্রনেতা নাফিউস সুলতান রোহান বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন:
“৪ দিন আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত দালিলিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি ছিল প্রশাসনের কানে প্রলয়ের দামামা! কিন্তু ধিক্ এই প্রশাসনকে! যাহারা অপরাধীর টুঁটি চাপিয়া ধরিবার বদলে রহস্যময় নীরবতার চাদর মুড়ি দিয়া বসিয়া আছে। আমরা অডিও প্রমাণে শুনিলাম, তোমারা পেছনের দরজা দিয়া জালিয়াতির কাগজ হালাল করিবার ও ব্যাকডেটে স্বাক্ষর জালিয়াতির পাঁয়তারা কষিতেছ! মনে রাখিও, ৫ আগস্টের রক্তস্নাত বাংলায় এই ‘পাওয়ার প্র্যাকটিস’ আর চলিবে না!”
তিনি প্রশাসনের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়া বলেন:
“আইন দিয়া কিছু হইবে না, ক্ষমতাই সব—এই দম্ভ যাহারা দেখায়, তাহারা বোকার নরকে বাস করিতেছে! ছাত্রসমাজ জাগিয়াছে! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন লইয়া ছিনিমিনি খেলিবে, ব্যক্তিগত বিলাসিতায় রাষ্ট্রদ্রোহী জালিয়াতি করিবে—আর আমরা আঙুল চুষিব? অসম্ভব!”
বিবৃতিতে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ৩ দফা আল্টিমেটাম দেওয়া হইল:
১. আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্তের নামে প্রহসন বন্ধ করিয়া ‘মির্জা-পলাশ’ সিন্ডিকেটের বিষদাঁত উপড়াইতে হইবে।
২. জালিয়াতি ও বিশ্বাসভঙ্গের দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি শিকল পরাইতে হইবে।
৩. সাধারণ শিক্ষার্থীদের ফলাফল ও নিরাপত্তা লইয়া কোনো ছিনিমিনি খেলা চলিবে না।
যদি এই দাবি না মানা হয়, তবে সিবিএমসি ঘেরাও করিয়া আমরাই এই জঞ্জাল সাফ করিব। “আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে” ছাত্রসমাজ অন্যায়ের টুঁটি ছিঁড়িয়া ফেলিবে।
