অভিযানের রেশ কাটতে না কাটতেই বেপরোয়া বালুর ট্রাক; ‘নাটক’ কি না তা নিয়ে জনমনে সংশয়
মোহাম্মদ উল্যা, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

এই এলাকায় রাতের আঁধারে প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পরও থামানো যাচ্ছে না অবৈধ বালুবাহী ট্রাকের দৌরাত্ম্য। অভিযোগ উঠেছে, মোবাইল কোর্ট শেষ হওয়ার ঠিক কিছুক্ষণ পর থেকেই ভোররাত পর্যন্ত এই এলাকার সড়কগুলোতে বালুর ট্রাকের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।
প্রশাসনকে কি চ্যালেঞ্জ করছে প্রভাবশালীরা?
স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের অভিযানের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও এভাবে প্রকাশ্যে ট্রাক চলাচল করায় মনে হচ্ছে প্রভাবশালীরা প্রশাসনকেই তোয়াক্কা করছে না। রাতভর ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে এই জনপদের সড়কগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। পাশাপাশি অসহনীয় শব্দদূষণ এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায় চরম আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী।
‘অভিযান কি নাটক?’—ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
বারবার অভিযান হওয়ার পরও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী মানুষ। তাদের মতে, নিয়মিত অভিযান যদি বালুর ট্রাক চলাচল বন্ধ করতে না পারে, তবে এসব কার্যক্রম কেবল ‘লোকদেখানো নাটকে’ পরিণত হবে। স্থানীয়দের ভাষ্য—”প্রশাসনের চেয়েও কি বালুখোরদের খুঁটির জোর বেশি? এই রহস্যময় ক্ষমতার উৎস উপড়ে ফেলা জরুরি, নচেৎ প্রশাসনের প্রতি জনমনে সন্দেহ ও সংশয় আরও বাড়বে।”
কার্যকর পদক্ষেপের দাবি
এই এলাকায় অবৈধ বালুবাহী ট্রাক চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, শুধু জরিমানা নয়, বরং এই অবৈধ ব্যবসার মূল হোতাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
