দুর্গাপূজায় ময়মনসিংহে চমৎকার আইনশৃঙ্খলা: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের প্রশংসনীয় নেতৃত্ব

​মোঃ মমিনুল ইসলাম মানিক, ময়মনসিংহ

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহে শেষ হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। পুরো পূজাজুড়ে ময়মনসিংহের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত সুন্দর, শান্ত ও স্বাভাবিক। সুশৃঙ্খল ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে সাধারণ ভক্ত ও দর্শনার্থীরা কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পেরেছেন।

​স্থানীয়রা জানান, পূজার শুরু থেকে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত প্রতিটি মণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার ছিল। আর এই সফল ও সুন্দর পরিস্থিতি বজায় রাখার নেপথ্যে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন ময়মনসিংহ জেলার সু-যোগ্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান। তাঁর বলিষ্ঠ, বিচক্ষণ ও সুসংগঠিত নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় সেচ্ছাসেবকরা দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।

​সন্তোষ প্রকাশ ও সর্বস্তরের প্রশংসা

​পূজা উদযাপন কমিটির সদস্য ও সাধারণ দর্শনার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত যেকোনো সময়ের চেয়ে এবার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক বেশি সন্তোষজনক ছিল। মণ্ডপে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে সার্বিক টহল এবং তদারকি ছিল চোখে পড়ার মতো। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সার্বক্ষণিক নজরদারি ও সুচিন্তিত দিক-নির্দেশনার কারণেই কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

​এ বিষয়ে স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সুদৃঢ় নেতৃত্ব ও আন্তরিক উদ্যোগের কারণেই ময়মনসিংহের সম্প্রীতির ঐতিহ্য রক্ষা হয়েছে। যার ফলে তাঁরা নির্ভয়ে এবং আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গাপূজার উৎসব উপভোগ করতে পেরেছেন।

​পুলিশ প্রশাসনের আন্তরিক প্রচেষ্টা

​নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার এই চমৎকার পরিবেশ বজায় থাকায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান এবং নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সকল সদস্যকে ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানিয়েছেন ময়মনসিংহের সর্বস্তরের মানুষ।

​পুলিশ সুপারের পাশাপাশি ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ আশরাফুল করিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ আসাদুজ্জামান শাকিল, কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম, জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ইনচার্জ মুহাম্মদ মাহবুবুল হকসহ জেলা পুলিশের সকল কর্মকর্তা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।